১. নির্ভরযোগ্য এক্সচেঞ্জ বেছে নিন
বেশির ভাগ মানুষ এক্সচেঞ্জ থেকে ক্রিপ্টো কেনেন। এমন এক্সচেঞ্জ বেছে নিন যা আপনার দেশে লাইসেন্সপ্রাপ্ত বা নিবন্ধিত, দীর্ঘ রেকর্ড আছে এবং রিজার্ভের প্রমাণ প্রকাশ করে। অতিরিক্ত বোনাস আর সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত অচেনা অ্যাপ সতর্কসংকেত।
২. অ্যাকাউন্ট খুলে যাচাই করুন
নিয়ন্ত্রিত এক্সচেঞ্জ পরিচয় যাচাই (KYC) চায়। এতে কয়েক মিনিট লাগে এবং বোঝা যায় প্ল্যাটফর্মটি নিয়ম মানে। শক্তিশালী ও আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন।
৩. টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু করুন
SMS-এর বদলে অথেনটিকেটর অ্যাপ দিয়ে 2FA চালু করুন, আর এক্সচেঞ্জ সুযোগ দিলে উত্তোলন ঠিকানার হোয়াইটলিস্ট বানান। এই দুটি সেটিং বেশির ভাগ অ্যাকাউন্ট দখল ঠেকায়।
৪. টাকা জমা দিয়ে প্রথম অর্ডার দিন
ব্যাংক ট্রান্সফার বা কার্ডে টাকা জমা দিয়ে কিনুন। মার্কেট অর্ডার সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান দামে কেনে; লিমিট অর্ডার কেবল আপনার ঠিক করা দামে। নিশ্চিত করার আগে ফি দেখে নিন। সব একবারে খারাপ সময়ে না কিনতে অনেক নতুন বিনিয়োগকারী নিয়মিত বিরতিতে একই অঙ্ক বিনিয়োগ করেন; আমাদের DCA ক্যালকুলেটর দেখায় এর ফল কেমন হতো।
৫. কয়েন কোথায় রাখবেন ঠিক করুন
এক্সচেঞ্জে রাখা কয়েন এক্সচেঞ্জটির মতোই নিরাপদ। বড় অঙ্ক হলে নিজের ওয়ালেটে সরানোর কথা ভাবুন; আমাদের ক্রিপ্টো ওয়ালেট নির্দেশিকা বিকল্পগুলো ব্যাখ্যা করে।
সাধারণ প্রতারণা এড়ান
- কোনো বিশ্বস্ত ব্যক্তি কখনো আপনার পাসওয়ার্ড, 2FA কোড বা সিড ফ্রেজ চাইবেন না।
- নিশ্চিত বা দ্বিগুণ মুনাফার প্রতিশ্রুতি সবসময় প্রতারণা।
- ওয়েবসাইটের ঠিকানা ভালোভাবে দেখুন; ভুয়া সাইট আসল এক্সচেঞ্জের নকশা নকল করে।
- লিভারেজ থেকে সাবধান: ফিউচার্স পুরো জমা মুছে দিতে পারে, দেখুন লিকুইডেশন ক্যালকুলেটর।